শুক্রবার, ২৩শে শ্রাবণ ১৪৩৩ - ৭ ই আগস্ট ২০২৬ দুপুর

শিরোনামঃ

প্রচ্ছদজাতীয়বাংলাদেশের নদ নদীর সংখ্যা নির্ধারণ বিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার:

বাংলাদেশের নদ নদীর সংখ্যা নির্ধারণ বিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার:

মনুকণ্ঠ নিউজ ডেস্কঃ


বাংলাদেশের নদ নদীর সংখ্যা নির্ধারণ বিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার:


পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আগামী পহেলা বৈশাখে নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌ- পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সাথে ভূমি মন্ত্রণালয়কেও যুক্ত করা হবে নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা করার জন্য।

১০ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে ঢাকায় পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা নির্ধারণ বিষয়ক এক অবহিতকরণ সেমিনারে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, মৃত নদী বলতে কোনো নদী নেই, প্রবাহহীন বলতে পারেন।প্রবাহহীন নদীকে প্রবাহমান করার অনেক প্রক্রিয়া বা রাস্তা আছে। মৃত নদী দেখিয়ে নদীর জায়গা ইজারা বা লিজ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমরা কিন্তু হাওরের তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছি, আমরা বিলেরও একটা তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছি। পরবর্তী কাজ হচ্ছে খালের তালিকা চূড়ান্ত করা। অবহিতকরণ সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের আজকে থেকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে জেলার সকল খালের তালিকা রেকর্ড অনুযায়ী যাছাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য উপদেষ্টা নির্দেশনা/অনুশাসন প্রদান করেন।

ঢাকার চারপাশে থাকা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ এবং শীতলক্ষ্যা এই ৩ টি নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করার একটা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা করে কাজ শুরু করার জন্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, ঢাকার ভিতরে থাকা ২১ টি খাল দখল ও দূষণমুক্ত করে একটা ব্লু নেটওয়ার্ক করার পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছি এবং এটির বাস্তবায়ন কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে। উপদেষ্টা বলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় ১ টি করে নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করার কাজ আমরা অচিরেই শুরু করে দেব।

সেমিনারে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে নৌ-পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
বাংলাদেশ নদীবিধৌত দেশ। এ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নদ-নদীর উপর নির্ভরশীল। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য উন্নয়নের নামে নদ-নদী খালবিল দখল করা হয়েছে। নদীকে বাঁচাতে হলে দূষণ ও অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে হবে। নদী বাঁচানোর এখনই উপযুক্ত সময়। অন্য সময় করতে হলে স্বার্থের সংঘাত শুরু হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে সেমিনারে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ,
পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল হক ভূঞাসহ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন।

রিলেটেড

জনপ্রিয়